স্টাফ রিপোর্টার : শেরপুরের ভাতশালা ইউনিয়নের ৭.৮.ও ৯ নং ওয়ার্ডের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ডিলার ইদ্রিস আলীর বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগকে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন সাধারণ ভোক্তাদের বৃহৎ অংশ। তাদের দাবি, বাস্তবে তারা নিয়ম অনুযায়ী খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির সুবিধা পাচ্ছেন। তাই প্রমাণ ছাড়া অভিযোগ তুলে ডিলারের সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়।
সাধারণ ভোক্তাদের কয়েকজন জানান, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি নিম্নআয়ের মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ কর্মসূচির চাল বিতরণে কোনো অনিয়ম হয়েছে কি না, তা নিয়ে বিতর্ক থাকলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সরেজমিনে তদন্ত করলেই প্রকৃত ঘটনা পরিষ্কার হবে।
তাদের দাবি, রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত বিরোধ অন্য কোনো স্বার্থে কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপন করা হলে সাধারণ ভোক্তারাই ক্ষতিগ্রস্ত হন। তাই কোনো অভিযোগকে সত্য ধরে নেওয়ার আগে নিরপেক্ষ তদন্ত ও তথ্য-প্রমাণ যাচাই করা জরুরি।
ভোক্তাদের দাবি, প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে প্রকৃত সত্য জনগণের সামনে তুলে ধরা হোক। অভিযোগ সত্য হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা এবং অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হলে অপপ্রচারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।
এদিকে, সংশ্লিষ্ট ডিলারের বক্তব্য ও প্রশাসনের তদন্তের ফলাফল প্রকাশিত হলে বিষয়টি নিয়ে তৈরি বিভ্রান্তির অবসান হবে বলে মনে করছেন স্থানীয় ভোক্তারা। স্থানীয়দের প্রত্যাশা—অভিযোগ নয়, তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতেই হোক চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।